প্রশ্ন
আমাদের সমাজে বেশিরভাগ মানুষ সার্টিফিকেটে বয়স কমিয়ে উল্লেখ করে। সম্ভ্রান্ত-সাধারণ প্রায় সকল শ্রেণীর মানুষই ব্যাপকভাবে এ কাজটি করে থাকে। প্রয়োজনে করে আবার অপ্রয়োজনেও করে। এটাকে একটা সাধারণ বিষয় মনে করা হয়। কোনো অন্যায়ই মনে করে না। আমি জানতে চাই, বাস্তবতা গোপন করে এভাবে সার্টিফিকেটে সঠিক বয়স উল্লেখ না করা ইসলামের দৃষ্টিতে কোন পর্যায়ের অন্যায়?
উত্তর
بسم الله الرحمن الرحيم
حامدا و مصليا و مسلما
সার্টিফিকেটে বয়স কম উল্লেখ করা সুস্পষ্ট মিথ্যা। আর মিথ্যা বলা ও লেখা কবীরা গুনাহ ও হারাম। বিষয়টি রেওয়ায়েজে পরিণত হলেও তা জায়েয হয়ে যায়নি। তাই কেউ এমনটি করে থাকলে যথাযথ নিয়মে তা সংশোধন করিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা আবশ্যক।
এক হাদিসে এসেছে, নবীজী (সা.) বলেন,
(তরজমা) ‘নিশ্চয়ই মিথ্যা পাপের পথ দেখায়। আর পাপ জাহান্নামের দিকে নিয়ে যায়। মানুষ মিথ্যা বলতে বলতে এক সময় সে আল্লাহর দরবারে মিথ্যাবাদী হিসাবে সাব্যস্ত হয়ে যায়। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬০৯৪ ; সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৬০৬)
-আলমাবসূত, সারাখসী ৩০/২১১; মুলতাকাল আবহুর ৪/২২১
আল্লাহ তা‘আলাই সবচেয়ে ভালো জানেন।
و الله تعالى أعلم بالصواب
وصلى الله تعالى على رسوله وعلى آله وسلم